“It feels superb”: Rajat Patidar Rajat ecstatic as RCB clinch back-to-back IPL t
Contents
আইপিএলের ইতিহাসে নতুন ইতিহাস আরসিবির
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) আবারও প্রমাণ করল কেন তাদের বর্তমান সময়কার অন্যতম শক্তিশালী দল বলা হয়। রজত পাতিদারের নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএল শিরোপা নিজেদের দখলে নিল দলটি। চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পর মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে আইপিএলের ইতিহাসে সফলভাবে শিরোপা ধরে রাখার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করল বেঙ্গালুরু।
গুজরাট টাইটানসের মাঠে দাপট
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ আইপিএল ফাইনাল ছিল এক রোমাঞ্চকর লড়াই। গুজরাট টাইটানস তাদের ঘরের মাঠে খেললেও আরসিবির আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। গতবারের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মাঠে নামা বেঙ্গালুরু শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল। টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। পিচের চরিত্র বুঝতে পেরে বোলারদের ওপর ভরসা রাখেন তিনি।
বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং
গুজরাটের শক্তিশালী টপ অর্ডারকে চাপে ফেলতে আরসিবির বোলাররা অসাধারণ কৌশল অবলম্বন করেন। সাই সুদর্শন, শুভমান গিল এবং জশ বাটলারের মতো ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরান আরসিবি বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে গুজরাট মাত্র ১৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয়। ওয়াশিংটন সুন্দর অপরাজিত ৫০ রান করলেও অন্যান্যরা ব্যর্থ হন। আরসিবির পক্ষে রাসিখ সালাম ৪ ওভারে ৩ উইকেট নেন, পাশাপাশি ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
বিরাট কোহলির মাস্টারক্লাস
রান তাড়া করতে নেমে আরসিবির শুরুটা বেশ আশাব্যঞ্জক ছিল। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও বিরাট কোহলি ইনিংসের হাল ধরেন। যদিও মাঝপথে দেবদত্ত পাডিক্কাল, রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়ার উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল দলটি। কিন্তু ‘চেজ মাস্টার’ বিরাট কোহলি ছিলেন অবিচল। টিম ডেভিডের সাথে জুটি বেঁধে তিনি দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। কোহলি ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা। ১২ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় আরসিবি।
অধিনায়কের অনুভূতি
ম্যাচ জয়ের পর রজত পাতিদার বলেন, “It feels superb: Rajat Patidar Rajat ecstatic as RCB clinch back-to-back IPL t। গত বছরের স্মৃতিগুলো ফিরে আসছিল। ভাষায় প্রকাশ করার মতো অবস্থা নেই। আমাদের পরিকল্পনা ছিল খুব স্পষ্ট। ভুবনেশ্বর, হ্যাজলউড, রাসিখ, সুয়াশ এবং শেফার্ড পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ বোলিং করেছে। আমি কখনো ভাবিনি আরসিবির অধিনায়ক হয়ে ট্রফি জিতব, মনে হয় এটি ভাগ্যেই লেখা ছিল।”
ভক্তদের সমর্থন ও প্রস্তুতি
পাতিদার আরও জানান, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই ভক্তদের অসামান্য সমর্থন পেয়েছেন তারা, যা প্রতিটি মাঠকেই তাদের ঘরের মাঠের মতো মনে হয়েছে। দীনেশ কার্তিকের পরামর্শ তার অধিনায়কত্ব ও ব্যাটিংয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই জয়ের মাধ্যমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রমাণ করল যে সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক দৃঢ়তা থাকলে যে কোনো প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব।