Watch: Krunal Pandya’s savage ‘5 trophies’ gesture sparks hilarious reaction from Virat Kohli, Rajat Patidar
Contents
আইপিএল ২০২৬-এর ট্রফি জয় ও ক্রুনাল পান্ডিয়ার মজার কাণ্ড
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) ২০২৬ সালের আইপিএল শিরোপা জয়ের পর মাঠের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। তবে এই উদযাপনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ক্রুনাল পান্ডিয়া। দলের ট্রফি জয়ের ফটোসেশনে ক্রুনাল তার হাতের পাঁচটি আঙুল উঁচিয়ে নিজের পাঁচবার আইপিএল জয়ের সাফল্য প্রদর্শন করেন। এই ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে, সেখানে Watch: Krunal Pandya’s savage ‘5 trophies’ gesture sparks hilarious reaction from Virat Kohli, Rajat Patidar শিরোনামে বিষয়টি বেশ ভাইরাল হয়েছে।
উদযাপনের মাঝে ব্যক্তিগত মাইলফলক
রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটি ছিল টানটান উত্তেজনার। আরসিবি পাঁচ উইকেটের বিনিময়ে জয় তুলে নেয়। ম্যাচ শেষে যখন পুরো দল ট্রফি নিয়ে পোজ দিচ্ছিল, তখন অধিকাংশ খেলোয়াড় তাদের টানা দ্বিতীয় শিরোপার প্রতীক হিসেবে দুটি আঙুল দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ক্রুনাল পান্ডিয়া ব্যতিক্রমী পোজ দিয়ে বুঝিয়ে দেন তিনি আইপিএলের ইতিহাসে নিজের সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারের কথা। তার এই রসিকতায় বিরাট কোহলি এবং অধিনায়ক রজত পাতিদার হাসি চেপে রাখতে পারেননি। কোহলিকে দেখা গেছে ক্রুনালের দিকে আঙুল তুলে হাসতে, যা ভক্তদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।
ক্রুনাল পান্ডিয়ার আইপিএল যাত্রা
এই জয়ের মাধ্যমে ক্রুনাল পান্ডিয়া এখন আইপিএলে পাঁচবার শিরোপা জয়ী অভিজাত খেলোয়াড়দের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। এর আগে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে তিনি তিনটি শিরোপা জিতেছিলেন। ২০২২ সালে লখনউ সুপার জায়ান্টে যোগ দেওয়ার পর ২০২৫ সালে তিনি আরসিবিতে নাম লেখান এবং বেঙ্গালুরুর হয়ে টানা দুটি শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই তালিকায় তার সঙ্গে রয়েছেন এমএস ধোনি, কাইরন পোলার্ড এবং তার ভাই হার্দিক পান্ডিয়া। তবে রোহিত শর্মা এবং অম্বাতি রাইডু ছয়টি করে ট্রফি নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন।
আরসিবির জয়ের নেপথ্যে
আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে ক্রুনাল পান্ডিয়ার পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ। তিনি ব্যাট হাতে ২২৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ১৪টি উইকেট শিকার করেছেন। ফাইনাল ম্যাচেও আরসিবির বোলিং ইউনিট দারুণ ছিল। অধিনায়ক রজত পাতিদার টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। গুজরাট টাইটানস নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫/৮ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। আরসিবির পক্ষে রাসিখ সালাম তিনটি, এবং ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
বিরাট কোহলির মাস্টারক্লাস ইনিংস
১৫৬ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরসিবির শুরুটা ছিল আক্রমণাত্মক। ভেঙ্কটেশ আইয়ার মাত্র ১৬ বলে ৩২ রান করে দলের ভিত গড়ে দেন। এরপর বিরাট কোহলি ম্যাচের হাল ধরেন এবং অপরাজিত ৭৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। মাত্র ৪২ বলে খেলা তার এই ইনিংসে ছিল নয়টি চার ও তিনটি ছক্কা। কোহলি তার হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাত্র ২৫ বলে, যা ছিল টুর্নামেন্টে তার দ্রুততম অর্ধশতক। এই জয়ের মাধ্যমে আরসিবি চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের পর টানা দুবার শিরোপা জেতার রেকর্ড গড়ল।
উপসংহার
মাঠের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি এমন হালকা মেজাজের মুহূর্তগুলোই ক্রিকেট ভক্তদের কাছে খেলাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ক্রুনাল পান্ডিয়ার এই মজার gesture কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্যকেই উদযাপন করেনি, বরং আরসিবির ড্রেসিংরুমের দারুণ টিম বন্ডিংকেও তুলে ধরেছে। দলের জয় এবং ক্রুনালের সেই ভাইরাল ক্লিপটি দীর্ঘসময় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে।