Dunkley, Kemp and Gibson star as England win three in three
Contents
ইংল্যান্ডের টানা তিন জয়
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩৮ রানে হারিয়েছে ইংলিশরা। এই জয়ে বিশেষ অবদান রেখেছেন সোফিয়া ডাঙ্কলি, ফ্রেয়া কেম্প এবং ড্যানি গিবসন, যাদের দারুণ পারফরম্যান্সে স্কোরবোর্ডে ২০০ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড।
সোফিয়া ডাঙ্কলির প্রত্যাবর্তনে ঝলক
অধিনায়ক ন্যাট সিভার-ব্রান্টের কাফ ইনজুরির কারণে দলে ডাক পেয়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন সোফিয়া ডাঙ্কলি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩৭ বলে ৫৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তার এই ইনিংসটি ইংল্যান্ডের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। ডাঙ্কলির ব্যাটিং পারদর্শিতা দলের জন্য স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে, বিশেষ করে টুর্নামেন্টের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে।
শেষ দিকে ঝড় তুললেন কেম্প ও গিবসন
ইনিংসে রানের গতি বাড়াতে ফ্রেয়া কেম্প এবং ড্যানি গিবসন শেষ দিকে যে ঝড় তুলেছিলেন, তা ছিল চোখে পড়ার মতো। ষষ্ঠ উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি মাত্র ২১ বলে ৬১ রান সংগ্রহ করে। এই জুটি ইংল্যান্ডকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০০ রানের বিশাল লক্ষে পৌঁছে দেয়। তাদের এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং স্কটল্যান্ডের বোলারদের কোনো সুযোগই দেয়নি ম্যাচে ফেরার।
স্কটল্যান্ডের লড়াই ও বোলিং ব্যর্থতা
স্কটল্যান্ডের হয়ে কির্স্টি গর্ডন বল হাতে ভালো শুরু করেছিলেন। প্রথম বলেই উইকেট শিকার করা গর্ডন শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে ২ উইকেট নেন। তবে ফিল্ডিংয়ে বেশ কিছু ভুল ছিল স্কটল্যান্ডের পরাজয়ের মূল কারণ। আগের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফিল্ডিং করা দলটি এই ম্যাচে নিজেদের মান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়।
লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে হিমশিম
২০০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্কটল্যান্ড পাওয়ারপ্লেতে বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছিল। তবে সোফি একলেস্টোনের স্পিন জাদুতে পথ হারায় স্কটল্যান্ড। মাত্র ৯ বলের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন একলেস্টোন। শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান তুলতে সক্ষম হয়। তাদের পক্ষে সারা ব্রাইস সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন।
টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ পথচলা
এই জয়ে ইংল্যান্ড টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকার ধারা বজায় রাখল। দলের সমন্বয় এবং প্রতিটি খেলোয়াড়ের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স তাদের এই আসরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ডাঙ্কলি, কেম্প এবং গিবসনের মতো খেলোয়াড়দের এমন ফর্মে থাকা ইংল্যান্ডের জন্য বড় আশীর্বাদ। অন্যদিকে, স্কটল্যান্ড লড়াই করলেও অভিজ্ঞতার অভাবে ম্যাচগুলোতে জয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে তাদের এই লড়াইয়ের মানসিকতা আগামী ম্যাচগুলোতে বড় দলকে চাপে ফেলতে পারে।
পরিসংখ্যানের সারসংক্ষেপ
- ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ২০০/৫ (ডাঙ্কলি ৫৭, ক্যাপসি ৪০, কেম্প ৩৯*, গিবসন ৩০*)
- স্কটল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬২/৭ (সারা ব্রাইস ৩৪, একলেস্টোন ২/২৩)
- ফলাফল: ইংল্যান্ড ৩৮ রানে জয়ী
টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে এখন নজর সবার। ইংল্যান্ড কি তাদের অপরাজিত থাকার ধারা ধরে রাখতে পারবে? উত্তর পেতে আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য। তবে বর্তমান ফর্মে ইংল্যান্ডকে হারানো যে কোনো দলের জন্যই বেশ কঠিন কাজ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।