Report

Mooney back issue dampens Australia’s record score against Netherlands

Theo Nair · · 1 min read

অস্ট্রেলিয়ার দাপুটে জয় ও মুনির চোট

সাউদাম্পটনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া তাদের শক্তির পূর্ণ প্রদর্শন করেছে। এদিন তারা ২১৯ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়ে ৯৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। তবে এই জয় ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে দলের প্রধান ব্যাটার বেথ মুনির পিঠের চোট। Mooney back issue dampens Australia’s record score against Netherlands – এই খবরটিই ম্যাচের মূল শিরোনামে পরিণত হয়েছে। যদিও মুনি ৭৪ রান করে মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবে এটি সতর্কতামূলক ছিল বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যাটিং তাণ্ডব ও রেকর্ডের হাতছানি

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ এদিন নেদারল্যান্ডসের বোলারদের ওপর রীতিমতো স্টিম রোলার চালিয়েছে। বেথ মুনি ৪২ বলে ৭৪ রান করেন এবং অ্যাশলে গার্ডনার চোট কাটিয়ে ফিরে এসে ৩২ বলে ৫৮ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন। এছাড়া জর্জিয়া ওয়ারহাম ১৮ বলে ৪১ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলে দলের রানকে ২১৯ পর্যন্ত নিয়ে যান। নেদারল্যান্ডসের আইরিস জুইলিং ৩টি উইকেট নিলেও তা অস্ট্রেলিয়ার রানবন্যা আটকাতে যথেষ্ট ছিল না।

মুনি ও গার্ডনারের দারুণ জুটি

ম্যাচের শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটাররা সাবলীল ছিলেন। মুনি ও জর্জিয়া ভল ওপেনিং জুটিতে দ্রুত রান যোগ করেন। মুনি নিজের চেনা ছন্দে ছিলেন, অন্যদিকে গার্ডনার শেষ দিকে এসে মাঠের চতুর্দিকে শট খেলেছেন। গার্ডনারকে জীবন দেওয়ার মাশুল গুনতে হয়েছে ডাচদের। তার এই ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়ার দলীয় স্কোরকে টুর্নামেন্টের রেকর্ড স্পর্শ করতে সহায়তা করে।

মুনির অনুপস্থিতি ও কিপিং সংকট

বেথ মুনি দলের একমাত্র বিশেষজ্ঞ উইকেটরক্ষক হওয়ায় তার চোট বাড়তি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অস্ট্রেলিয়া দলে কোনো রিজার্ভ কিপার না থাকায় জর্জিয়া ভলকে প্রথমবারের মতো প্রফেশনাল টি-টোয়েন্টিতে কিপিং করতে হয়। মুনির চোট কতটা গুরুতর তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু জানা না গেলেও, দলের সামনের ম্যাচগুলোর জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

READ:  George, Austin plunder Lancashire to land third win in a row

নেদারল্যান্ডসের লড়াই ও গার্থের বোলিং

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেদারল্যান্ডসের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। কিম গার্থের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ডাচ ব্যাটাররা দিশেহারা হয়ে পড়েন। গার্থ ৩ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। দলের অধিনায়ক বাবেত ডি লিড এবং স্তেরে কালিস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ডি লিড অপরাজিত ৫৬ রান করেন এবং কালিস ৪৪ রান সংগ্রহ করেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিশাল স্কোরের বিপরীতে তাদের এই লড়াই কেবল ব্যবধান কমাতেই সাহায্য করেছে।

টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

এই জয় অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। গ্রুপ ওয়ানে তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ও ভারত। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে মুনির ফিটনেস অস্ট্রেলিয়া দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বোলিংয়ে কিছুটা ক্যাচ মিস হলেও, অস্ট্রেলিয়ার সামগ্রিক পারফরম্যান্স তাদের শিরোপা জয়ের দৌড়ে এগিয়ে রাখছে। নেদারল্যান্ডস হারলেও ডি লিড ও কালিসের লড়াকু মানসিকতা ডাচ ক্রিকেটের উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর কার্ড

  • অস্ট্রেলিয়া: ২১৯/৯ (মুনি ৭৪, গার্ডনার ৫৮, জুইলিং ৩-৫২)
  • নেদারল্যান্ডস: ১২১/৩ (ডি লিড ৫৬*, কালিস ৪৪, গার্থ ২-২০)
  • ফলাফল: অস্ট্রেলিয়া ৯৮ রানে জয়ী।