Report

South Africa A tame Lions with two sessions to spare

Arthur Sethi · · 1 min read

আন্দেল টেস্টে দাপুটে জয় প্রোটিয়াদের

আরুনডেলের মাঠে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে প্রথম অনানুষ্ঠানিক টেস্টে সাউথ আফ্রিকা এ দল যেন নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল। South Africa A tame Lions with two sessions to spare—এই শিরোনামটিই যেন এই ম্যাচের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। দুই সেশন হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে প্রোটিয়ারা বুঝিয়ে দিয়েছে তারা কতটা সুসংগঠিত ছিল।

ম্যাচের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

প্রথম ইনিংসে সাউথ আফ্রিকা এ দল ৩৩১ রান সংগ্রহ করে, যেখানে মার্কাস অ্যাকারম্যান ১৭৩ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন। জবাবে ইংল্যান্ড লায়ন্স মাত্র ১৫৭ রানে অলআউট হয়ে ব্যাকফুটে চলে যায়। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে অ্যাসা ট্রাইব (১৩৫) এবং বেন মেস (১০৫)-এর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে ইংল্যান্ড লায়ন্স ৩৮৭ রান সংগ্রহ করে, যা সাউথ আফ্রিকার সামনে জয়ের জন্য ২১৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। শেষ দিনে জয়ের জন্য সফরকারীদের প্রয়োজন ছিল ৯২ রান, যা তারা খুব সহজেই অর্জন করে নেয়।

শেষ দিনের নাটকীয়তা ও জয়

ম্যাচের শেষ দিনে ইংল্যান্ড লায়ন্স শেষ চেষ্টা করার জন্য মাঠে নামে। লিয়াম প্যাটারসন-হোয়াইট দ্বিতীয় বলেই জর্ডান হারম্যানের ক্যাচ মিস করেন, যা ছিল তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ হারানোর ঘটনা। হ্যাম্পশায়ারের এডি জ্যাক লেসেগো সেনোকোয়ানেকে ইয়র্কার দিয়ে সাজঘরে ফেরান, কিন্তু সেটিই ছিল লায়ন্সের শেষ সাফল্য। জর্ডান হারম্যান এবং জুবায়ের হামজা এরপর আর কোনো সুযোগ না দিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। মাত্র ৭২ বলে ৮১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দুপুরের আগেই জয় নিশ্চিত হয়।

অভিজ্ঞতার লড়াই

এই ম্যাচটি ছিল অভিজ্ঞতার সাথে তারুণ্যের লড়াই। সাউথ আফ্রিকা দলে যেখানে পাঁচজন টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন, সেখানে ইংল্যান্ড লায়ন্স ছিল অপেক্ষাকৃত তরুণ এবং অনভিজ্ঞ। প্রোটিয়াদের অধিনায়ক মার্কাস অ্যাকারম্যান বাদে বাকি সবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। বিপরীতে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ছিলেন ২৭ বছর বয়সী লিয়াম প্যাটারসন-হোয়াইট। ডেন প্যাটারসনের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট শুরুর সময় বেন মেসের বয়স ছিল মাত্র দুই বছর, যা দুই দলের অভিজ্ঞতার পার্থক্য স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।

READ:  Zak Crawley channels England disappointment into match-winning 75* - কেন্টের অবিস্মরণীয় জয়

ইংল্যান্ড লায়ন্সের ইতিবাচক দিক

হারলেও এই ম্যাচ থেকে ইংল্যান্ড লায়ন্সের অনেক কিছু পাওয়ার ছিল। অ্যাসা ট্রাইব তার প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে প্রমাণ করেছেন যে তিনি ভবিষ্যতে ইংল্যান্ডের হয়ে বড় দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রস্তুত। বেন মেসও তার প্রথম পেশাদার সেঞ্চুরি পেয়েছেন, যা তার ক্যারিয়ারের জন্য একটি মাইলফলক। বোলিং বিভাগে মিচেল স্ট্যানলি এবং এডি জ্যাক নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন, যা তাদের ভবিষ্যতে জাতীয় দলের বিবেচনায় রাখবে।

পিচ ও অন্যান্য দিক

আরুনডেল ক্যাসলের পিচটি ছিল অসাধারণ। প্রথম দিনে ফাস্ট বোলারদের জন্য সুযোগ থাকলেও, পরবর্তী দিনগুলোতে ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক ছিল পিচটি। এছাড়া দ্বিতীয় দিনের শেষভাগ থেকে স্পিনাররাও সহায়তা পেয়েছেন। এই ধরনের উইকেট একজন ক্রিকেটারের দক্ষতা পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত। এখন দুই দল শুক্রবার থেকে বেকেনহামে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচে মুখোমুখি হবে, যার আগে তিনটি ৫০ ওভারের ম্যাচও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই জয় সাউথ আফ্রিকা এ দলকে মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে রাখবে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য।